ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিলের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক টানাপোড়েন নতুন মোড় নিয়েছে। Mookto News নিশ্চিত করে যে, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত মারিয়া লুইজা রিবেইরো ভিয়োত্তির ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন প্রশাসন। তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, এটি কেবল ভিসা বাতিলের ঘটনা হলেও রাষ্ট্রদূতকে সরাসরি বহিষ্কারের কোনো প্রক্রিয়া শুরু করা হয়নি।

Mookto News জানতে পারে যে, ব্রাজিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনীত রাষ্ট্রদূত ড্যানি পেরেজের নিয়োগ অনুমোদন আটকে দেওয়ার পাল্টা জবাব হিসেবেই ওয়াশিংটন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, যদি ব্রাজিল সরকার ড্যানি পেরেজের নিয়োগকে দ্রুত অনুমোদন প্রদান করে, তবে রাষ্ট্রদূত ভিয়োত্তির ভিসা পুনরায় বহাল করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারলেও তার কূটনৈতিক কার্যক্রম সীমিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই উত্তেজনার প্রেক্ষাপটটি বেশ পুরনো। গত জুনে ট্রাম্প প্রশাসন ড্যানি পেরেজকে ব্রাজিলে দূত হিসেবে মনোনীত করলেও, যথাযথ কূটনৈতিক প্রোটোকল অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। Mookto News বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে, ব্রাজিল সরকারের আনুষ্ঠানিক সম্মতি বা অ্যাগ্রিমো পাওয়ার আগেই পেরেজের নাম ঘোষণা করায় বিষয়টিকে প্রোটোকল লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে ব্রাসিলিয়া। বর্তমানে ব্রাজিল সরকার পুরো বিষয়টি পর্যালোচনার অধীনে রেখেছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সম্পর্কে গভীর সংকট দেখা দিতে পারে। গত মাসেই ব্রাজিল সরকার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম ব্যুরোর কর্মকর্তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, যার পেছনে আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটির নিজস্ব নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের উদ্বেগ কাজ করেছে। সব মিলিয়ে, রাষ্ট্রদূতদের ভিসা ও নিয়োগ সংক্রান্ত এই জটিলতা দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *