রাজসাক্ষী রিজভীর বিস্ফোরক মন্তব্য: ক্ষোভে উত্তাল শাবনূর

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদের দেওয়া বিস্ফোরক মন্তব্যগুলোর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। Mookto News নিশ্চিত করে যে, রিজভীর সাম্প্রতিক বয়ানকে ‘সম্পূর্ণ গালগল্প ও অসত্য’ অভিহিত করে শাবনূর দাবি করেছেন, তাকে জড়িয়ে করা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এই অভিনেত্রী।

আমরা জানতে পারি যে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর আকস্মিক মৃত্যুর পর থেকে আজ পর্যন্ত ঘটনাটি রহস্যের বেড়াজালে বন্দী। সেই সময় রিজভী আহমেদ ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই আদালতে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়ে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পর, বিশেষ করে ২০১৯ সালে পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটে তিনি সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী দাবি করতে শুরু করেন। রিজভী এখন দাবি করছেন যে, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন এবং এর পেছনে নায়িকার মায়ের ইন্ধন ছিল। Mookto News জানতে পারে যে, রিজভীর এমন পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

রিজভীর বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে শাবনূরকে নিয়ে করা ব্যক্তিগত মন্তব্যের কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন অভিনেত্রী। শাবনূর স্পষ্ট করে বলেন, রিজভীর সঙ্গে তার বিয়ের দাবি বা প্রেম—সবই কাল্পনিক। তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত রিজভীকে আগে কখনো দেখেননি এবং তার সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত যোগাযোগ থাকার প্রশ্নই ওঠে না। এই ধরনের ভিত্তিহীন দাবি তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্মানহানি করছে বলে তিনি মনে করেন।

Mookto News জানতে পারে যে, সালমান শাহর মৃত্যুতে কোনো ধরনের ব্ল্যাকমেইল বা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার যে অভিযোগ রিজভী তুলেছেন, তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন শাবনূর। তার মতে, প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ তার কাছে কেবল একজন সহকর্মী নন, বরং একজন শ্রদ্ধেয় বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন। এই শোকাবহ ঘটনা নিয়ে এখনকার সময়ে রিজভীর এই ধরনের তৎপরতা গভীর কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ কি না, তা নিয়েও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

সবশেষে, শাবনূর পুনরায় সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উন্মোচনের লক্ষ্যে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। Mookto News নিশ্চিত করে যে, দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিই তার মূল লক্ষ্য, যাতে দীর্ঘদিনের এই বিতর্কের অবসান ঘটে এবং সত্য সকলের সামনে প্রকাশিত হয়।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *