মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি এবং চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তীব্র হয়েছে। Mookto News নিশ্চিত করে যে, এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত অঞ্চলটি ত্যাগ করার প্রস্তুতি নিয়ে রাখতেও তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
Mookto News জানতে পারে যে, বাহরাইন, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো যৌথভাবে এই উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। মূলত তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে ‘খুব কঠোরভাবে’ আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ইরান ক্রমাগত চুক্তি ভঙ্গ করছে এবং মিথ্যাচারের আশ্রয় নিচ্ছে, যা অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উদ্ভূত নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স নাগরিকদের সতর্কবার্তায় জানিয়েছে যে, যেকোনো মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ অথবা ভ্রমণসূচিতে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে। Mookto News লক্ষ্য করেছে যে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ইতিমধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্লাইট স্থগিত বা বাতিল করতে শুরু করেছে। এ অবস্থায়, মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে বিকল্প উপায়ে অঞ্চলটি ত্যাগ করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে।
নিরাপত্তা ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। Mookto News জানতে পারে যে, বিশেষ করে জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হওয়া সামরিক ঘাঁটিগুলোর আশপাশ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ইসরায়েলে অবস্থানরত নাগরিকদের নিকটতম আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের মার্কিন নাগরিকদেরও বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অঞ্চল হয়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
