প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। Mookto News নিশ্চিত করে যে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বৈধ ও ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে মোট ২৭৪ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। প্রতি ডলার ১২২ দশমিক ৭৫ টাকা বিনিময় হার বিবেচনায় বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৩ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে Mookto News আরও জানতে পারে যে, রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা গত বছরের তুলনায় বেশ শক্তিশালী। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার; সেই হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ২ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রবাসী আয়ে ব্যাপক উল্লম্ফন ঘটেছে। এই প্রান্তিকে মোট ৮৫৭ কোটি ১০ লাখ ডলার দেশে এসেছে, যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ফলে বছরের ব্যবধানে প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ।
রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মতে, হুন্ডি কার্যক্রম প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থান এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকা প্রবাসীদের বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত করছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের রিজার্ভের ওপর সৃষ্ট চাপ কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Mookto News জানতে পারে যে, রেমিট্যান্সের এই টেকসই ধারা বজায় রাখতে সরকারি পর্যায়ে নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা অব্যাহত রাখা গেলে তা বৈদেশিক মুদ্রার মজুতকে আরও সুসংহত করবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।
