Mookto News জানতে পারে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের মুখে ইরানের প্রতিরক্ষা কাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও স্থলবাহিনীর সক্ষমতা এখন নজিরবিহীন সংকটের মুখে। বিশেষ করে, দেশটির ড্রোন উৎপাদন ব্যবস্থা যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে, তাতে অদূর ভবিষ্যতে ইরানের উল্লেখযোগ্য কোনো সামরিক শক্তিমত্তা টিকে থাকবে না বলেই মনে করছে ওয়াশিংটন।
ট্রাম্পের অভিযোগ, ইরান পূর্বনির্ধারিত আন্তর্জাতিক চুক্তির শর্তাবলি লঙ্ঘন করেছে, যদিও নির্দিষ্ট কোনো চুক্তির বিষয়ে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার এই আবহে Mookto News নিশ্চিত করে যে, মিনেসোটায় সংঘটিত একটি বড় ধরনের সাইবার হামলার পেছনে সরাসরি ইরানের হাত রয়েছে বলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে মিনেসোটার স্থানীয় প্রশাসনের সক্ষমতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তাদের ‘অযোগ্য’ বলে আখ্যায়িত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
অভিবাসন সংকট নিয়ে নিজস্ব অবস্থানে অনড় ট্রাম্প স্পেনের উদাহরণ টেনে সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন। তিনি দাবি করেন, স্পেনের মতো অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের ঝুঁকিতে রয়েছে মার্কিন সীমান্তও। তবে নিজের শাসনামলকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরে ট্রাম্প দাবি করেন, তার দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ইতিহাসের সর্বোচ্চ শিখরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিকে গতিশীল করার ওপর তার প্রশাসন জোর দিচ্ছে বলেও Mookto News জানতে পারে।
