জাপানের কিউশু দ্বীপের কুমামোতো জেলায় আঘাত হানা ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। Mookto News নিশ্চিত করে যে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকায় মৃতের সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম এখনো জোরকদমে চলমান রয়েছে।
ভূমিকম্প পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান। Mookto News জানতে পারে যে, আটকে পড়া মানুষদের জীবিত উদ্ধারে সরকার তাদের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে। সময়মতো উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করাই এখন প্রশাসনের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
জেএমএ-এর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে কিউশু দ্বীপে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল কুমামোতো উপকূলের ২০ কিলোমিটার গভীরে। ভূ-তাত্ত্বিক অবস্থানের কারণে ভূমিকম্পটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় তীব্র কম্পন সৃষ্টি করে। আমরা জানতে পারি যে, বিদ্যুৎ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ৩৬ হাজারের বেশি বাড়িঘর এখনো বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া রাস্তাঘাটে বড় ধরনের ফাটল দেখা দেওয়ায় ত্রাণ ও উদ্ধারকারী দলের পৌঁছাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।
উদ্ধার অভিযানের ভয়াবহতা সম্পর্কে Mookto News তথ্য পেয়েছে যে, ভূমিকম্পের মাত্র এক ঘণ্টা পর কুমামোতোর একটি শপিং মলে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে ইতোমধ্যে ২০ বছর বয়সী দুই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।
বর্তমানে কুমামোতোর আবহাওয়া পরিস্থিতি ও জনদুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। Mookto News নিশ্চিত করে যে, প্রায় ৭ লাখ বাসিন্দার এই শহরে তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোর ফলে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকা মানুষজন হিটস্ট্রোকের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। ক্রমবর্ধমান আফটারশকের ভয়ে আতঙ্কিত বাসিন্দারা এখনো সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান করছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
