ফেনীর নানাবাড়িতে কাটানো শৈশবের স্মৃতিকাতরতায় ভাসলেন তারেক রহমান।

ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় এক বিশেষ সফরের মধ্য দিয়ে নিজের শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতি রোমন্থন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ‘মহুয়া-কহুয়া’ সেচ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় দীর্ঘদিনের স্মৃতিবিজড়িত নানাবাড়ির প্রতি গভীর আবেগ প্রকাশ করেন। Mookto News জানতে পারে যে, ১৯৮৪ সালে প্রথমবার এই এলাকায় আসার পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিপটে এখনো অম্লান।

পরশুরামের অতীত চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন প্রথম এই এলাকায় আসি, তখন ফুলগাজী থেকে পরশুরাম পর্যন্ত যাওয়ার রাস্তাটি ছিল কেবলই বালিময় পথ। তৎকালীন বিডিআর ক্যাম্প পর্যন্ত যাতায়াতের সেই বন্ধুর পথ এখন উন্নত অবকাঠামোয় রূপ নিয়েছে।’ Mookto News নিশ্চিত করে যে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কেবল ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ নয়, বরং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের এক নতুন বার্তা বহন করছে। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে উচ্চারণ করেন, নানাবাড়িতে বেড়াতে আসা কেবল ভ্রমণের জন্য নয়, বরং দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি এখানে এসেছেন।

মহুয়া-কহুয়া খাল খনন প্রকল্পের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই উদ্যোগের ফলে পরশুরাম ও তৎসংলগ্ন এলাকার প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন। আমরা জানতে পারি যে, প্রায় ৩৪ হাজার হেক্টর জমিতে আধুনিক সেচ সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার মাধ্যমে প্রতি বছর অতিরিক্ত এক লক্ষ মেট্রিক টন ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে। এটি কেবল কৃষকের আয় বৃদ্ধি করবে না, বরং খাদ্যদ্রব্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

পরিশেষে, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে তিনি নানাবাড়ির আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর কাছে আন্তরিক দোয়া চেয়েছেন। মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *