হরমুজ প্রণালিসহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক যোগাযোগপথগুলো বন্ধ করে দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। Mookto News নিশ্চিত করে যে, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সরাসরি বার্তা দিয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে তেহরান কৌশলগত এই জলপথগুলো অবরুদ্ধ করতে বাধ্য হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ বাঘের জোলঘদর এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের ধারাবাহিক আগ্রাসী পদক্ষেপ কেবল হরমুজ প্রণালি নয়, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য অন্যান্য আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক চলাচলকেও চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
Mookto News জানতে পারে যে, ইরানের নীতিনির্ধারকদের মতে যুক্তরাষ্ট্রের এই ভুল নীতির সরাসরি প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের ওপর। অপরিশোধিত তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি এই ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপ আগামী নভেম্বরের মার্কিন কংগ্রেস নির্বাচনে ভোটারদের জনমতের ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে ইরান ধারণা করছে।
পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক ঘটনার বিশ্লেষণ করে Mookto News নিশ্চিত করে যে, গত ১৪ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নৌ-অবরোধ কার্যকরের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বারুদের স্তূপ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা জবাব পরিস্থিতির জটিলতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বার্থে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক মহলে চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে। তবে এর বিপরীতে ইরান কঠোর অবস্থানে থেকে জানিয়েছে, এই কৌশলগত জলপথে চলাচলকারী প্রতিটি জাহাজের নিরাপত্তায় তারা নিজেদের তত্ত্বাবধানে বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা কার্যকর করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
